কুশিয়ারা নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যাওয়ার ২৭ ঘণ্টা পর হাফিজ সালমান আহমদের লাশ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা ৩টায় বিয়ানীবাজার উপজেলার আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর এলাকার মাদরাসা খেওয়াঘাট এলাকায় নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল।
এর আগে শুক্রবার(২৯ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় কুশিয়ারা নদীতে গোসল করতে গিয়ে সে নিখোঁজ হয়।
তার বাড়ি উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর গ্রামে। নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ সালমান আহমদ (১৩) আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর এলাকার আব্দুল ফাত্তাহ’র পুত্র। সে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার দাওরা শাখা থেকে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে বুধবার বাড়িতে এসেছিল।
গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এলাকারবাসীর সাথে বিয়ানীবাজার ফায়ার এণ্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মী এবং সিলেট থেকে আসা ডুবুরীরা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তার সন্ধান পাননি।
উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ সালমান আহমদ (১৩) আঙ্গুরা মোহাম্মদপুর এলাকার আব্দুল ফাত্তাহ’র পুত্র। সে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার দাওরা শাখা থেকে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে বুধবার বাড়িতে এসেছিল।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের যাওয়ার পূর্বে চাচাতো ভাইদের সাথে হাফেজ সালমান আহমদ নদীতে গোসল করতে আসে। এ সময় বালু উত্তোলন করতে ড্রেজার মেশিন চালানো ছিল। হঠাৎ করে পানির স্রোতের সাথে বালুর চরের ওই এলাকায় ধ্বস দেখা দিলে সালমান পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ও গ্রামের মানুষ ছুটে এসে নদীতে জাল ফেলে তল্লাশি জানান। পরে দুপুর ২টার দিকে বিয়ানীবাজার ফায়ার এ-সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা ও সিলেট থেকে ডুবুরীরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান চালান। অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় সাড়ে ৫টার দিকে ডুবুরির তল্লাশি অভিযান সমাপ্ত করা হয়। এরপর আজ (শনিবার) সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করলে ৩টার দিকে আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর এলাকার মাদরাসা খেওয়াঘাট এলাকায় নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।