শাহেদ আহমদ: গোলাপগঞ্জে পৌর শহরে একটি ফটোকপির দোকান পরিচালনা করেন জেবুল আহমদ । সে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে দোকান পরিচালনা করছিলেন। হঠাৎ জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশে যোগদানের প্রস্তাব দেন পৌর জামায়াত নেতা নুরুল হুদা(৪৫)। আর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় ঘটে বিপত্তি। এরপর থেকে তার দোকানে ঝুলানো হয় তালা ও দেওয়া হয় ২টি মিথ্যা মামলা।
পৌর এলাকার ইয়াগুল গ্রামের মৃত মস্তকিন আলী খানের ছেলে জেবুল আহমদ অভিযোগ করে বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে মার্ভেলাস টাওয়ারে নুরুল হুদার মালিকানাধীন দোকান ভাড়া নেই। তাকে অগ্রিম জামানত হিসেবে ২৯ লক্ষ টাকা জমা দেই। প্রতিমাসে ১২ হাজার টাকা করে ভাড়ার চুক্তিনামায় সাক্ষর হয়। চুক্তিপত্রের মেয়াদ ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর তারিখ পর্যন্ত ছিল।
নুরুল হুদা আমাকে চুক্তির মেয়াদ থাকা অবস্থায় জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের একটি সদস্য ফরম দিয়ে আমাকে ফরম পূরণ করে তাদের দলের সদস্য পদে যোগদানসহ আরও ৫০ জন সদস্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। আমি রাজি না হওয়ার কারণে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। পরে আমি বুঝতে পারি এ দিয়ে নুরুল হুদা তার স্বার্থ পূরণ করতে চায়। দোকান ঘরের চুক্তির মেয়াদ শেষে আমার অগ্রিম জমাকৃত ২৯ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে তার দোকান ঘরের ভাড়ার টাকা সম্পূর্ণ পরিশোধসহ দোকান ঘর চাই। এ কথা লিখিত এবং মৌখিক ভাবে নুরুল হুদাকে জানাই। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গভীর রাতে দোকান তালাবদ্ধ করে রাখে। পরদিন সকালে দোকান খোলার জন্য গিয়ে দেখি দোকানে তালা ঝুলছে। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবহিত করলে কাউন্সিলরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে এসে দোকানে তালা ভেঙে আমাকে দোকান বুঝাইয়া দেন। তার কিছুদিন পরেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় নুরুল হুদা। এছাড়াও বিভিন্ন ভাবে আমার উপর করা হয় ২টি মিথ্যা মামলা। এছাড়াও জামাত শিবিরের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে প্রতিনিয়ত দেওয়া হচ্ছে হুমকি।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চাইলে নুরুল হুদার মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে কল কেটে দেন।
এদিকে মিথ্যা মামলা ও জাময়াতের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাঁচতে নিরুপায় হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জেবুল আহমদ ।