1. info@golapganjnews24.com : জাহিদ উদ্দিন : জাহিদ উদ্দিন
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে গোলাপগঞ্জে সেনাবাহিনীর সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ছাত্রদল নেতা আরিফ খানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত গোলাপগঞ্জে সেলিম উদ্দিনের সমর্থনে ছাত্রশিবিরের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জে নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু স্টারলাইট একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিকে সাংবাদিক ক্যারলের অভিনন্দন গোলাপগঞ্জে জেলা ছাত্রদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে পৌর ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল গোলাপগঞ্জের লক্ষিপাশায় এক গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার বিয়ানীবাজারে ফ্রি চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত

নিরবেই চলে গেল গোলাপগঞ্জ মুক্ত দিবস, নেই কোন আয়োজন

জাহিদ উদ্দিন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

আজ ১২ ডিসেম্বর; গোলাপগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়।

দীর্ঘ ৯ মাস বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে লড়াই করে বিজয়ের ৪ দিন আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে উড্ডয়ন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএন চৌধুরী হুমায়ূন।ওইদিন মুক্তিযোদ্ধারা সুতারকান্দি-বিয়ানীবাজার হয়ে ভোর হওয়ার কিছুক্ষণ আগে উপজেলার নালিউরি গ্রামে এসে অবস্থান নেয়।

নালিউরি গ্রাম থেকে মাত্র দেড় মাইল উত্তরে ঢাকাদক্ষিণ বাজারে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের ঘাঁটি ছিল। বিকেলে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা রেকি করতে পরিকল্পনা মতো বেরিয়ে পড়েন।জানা যায়, তখন একটি হিন্দুবাড়িতে কজন মুক্তিযোদ্ধা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। সে সময় একজন বালক এসে খবর দেয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কয়েকজন সেনা নিয়ে একটি বাস ভাদেশ্বরের দিকে যাচ্ছে। এ সংবাদ পাওয়া মাত্র মুক্তিযোদ্ধারা সেই ছেলেটির সহযোগিতায় রাস্তায় গিয়ে একটি অ্যান্টিট্যাংক মাইন পুতে রাখেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বাসটি ফিরে এসে মাইনের ওপর ওঠা মাত্রই তা বিস্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুজন পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্য। বাকিরা উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের মুকিতলা গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়।ওইদিন দুপুরে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএন চৌধুরী হুমায়ূন থানা সদরে স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এবং মুক্তিকামী জনতা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশের মতো এভাবেই পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে পাকহানাদার মুক্ত হয় গ্যাস ও খনিজ সম্পদে ভরপুর গোলাপগঞ্জ উপজেলা। এ উপজেলা তিনজন বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক খেতাবধারীসহ প্রায় চারশত মুক্তিযোদ্ধার জন্মভূমি।

এদিকে, গোলাপগঞ্জ মুক্ত দিবস উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন প্রতি বছর বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালন করলেও এবার নিরবেই চলে গেছে এই দিনটি। এই দিনটি উপলক্ষে বিগত দিন র‍্যালী, আলোচনা সভার আয়োজন করা হত৷

এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি সফিকুর রহমান জানান, আমরা এবার কোন আয়োজন করেনি। আমাদের ভবণ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কোন বসার জায়গা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসার মিল্টন চন্দ্র পাল বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন এসেছি। আজ যে গোলাপগঞ্জ মুক্ত দিবস তা সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। যেহেতু জেনেছি আগামীতে বিষয়টি খেয়াল রাখবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
২০২৪ গোলাপগঞ্জ নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত