
গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নে মানিক মিয়া (৫৬) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার উপর বিএনপি ও ছাত্রদলের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে একটি মিটিং থেকে ফেরার পথে পশ্চিম রায়গড় গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন আসলে সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করে পালিয়ে যায়।
এরপর তাকে লোকজন এসে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মানিক মিয়া ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাকের আহমদের পিতা। এছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। এ হামলায় মানিক মিয়ার ডান হাত ভেঙ্গে গেছে। এছাড়াও পায়ের মধ্যে জখম হয়।
জানা যায়, মানিক মিয়া আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন নৌকার পক্ষে কাজ করেন। এছাড়াও তার ছেলে সাকের আহমদ ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিল। এর জের ধরে গণ অভ্যুত্থানের পর তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছিল৷ এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সাকেরের পিতা মানিক মিয়া একটি মিটিং থেকে ফেরার পথে বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল , জোনাক আহমদ, ছাত্রদল নেতা আবু বক্কর, তানজিম আহাদ, জাকির হোসেন, রুপন আহমদ সহ ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তার উপর হামলা করেন। এসময় তার আৎ চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে তারা তার উপর হামলা করে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মানিক মিয়া জানান, আমি আওয়ামী লীগের নৌকার পক্ষে কাজ করায় এবং ছেলে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় বিএনপির সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাই নয় তারা আমায় ও আমার ছেলেকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলায় আসামী বানিয়েছে। আজ আমায় প্রাণে মারার জন্য তারা আমার উপর হামলা করেছে।