
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার শেখপুর গ্রামের যুব মহিলা লীগ নেত্রী যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাফিনা আক্তার ও তার ছোট বোন ফারেহা জান্নাতকে হুমকি ও ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় রাজনৈতিক ক্রোশ থাকার কারণে ওদের এবং তাদের ফ্যামিলির উপর হুমকি, হামলা, ট্রেড ইত্যাদি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিপক্ষ দল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপি ও জামাত ক্যাডারদের ষড়যন্ত্র ও হয়রানি মূলক কার্যকলাপের জন্য ফারেহা শাফিনা ও তার বোন ফারেহা ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। ফলে তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায় শাফিনা আক্তার ও তার বোন ফারেহা জান্নাত বাংলাদেশমহিলা যুবলীগের অন্যতম সদস্যা ছিলেন, সরকার পতনের পর থেকে তাতে রাজনৈতিক অস্তিত্ব বিএনপি -জামাত পার্টি অনাতর্কিত হামলা চালায় তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর ঘরবাড়ি ভাঙচুর ইত্যাদি কয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় তাদেরকে। ফারেহা ও শাফিন আক্তারের পরিবার বর্তমানে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
সাংবাদিক টিম স্থানীয় সূত্রে খবর পাই যে, দিনের পর দিন দেশের অবস্থা যা হচ্ছে চারিদিকে যেমন ফ
খুন খারাবি তাতে ফারেহা ও শাফিনা দেশ ত্যাগ করা উত্তম কাজ বলে মনে করছেন। তারা জানায় তাদের পরিবারের যে কাউকে যেখানে পাবে সেখানে মেরে ফেলবে। বর্তমানে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে নিজ বাড়ি ও থানা ছেড়ে তারা কেউ জানেনা কোথায় আছে কেমন আছে।
স্থানীয় সূত্র আরো জানা যায় যে, ফারেহা জান্নাত ও সাফিন আক্তারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিএনপি’র গুন্ডারা তছনছ করে দিয়েছে অলরেডি তাছাড়া বাড়িঘরে বারবার আক্রমণ হওয়ায় এলাকার মানুষ আতঙ্কে আছে।
পুলিশ প্রশাসন বা তার উপর মহল কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না। সকল সময় ভয় বিথীতে থাকতে হয় ফারেহা জান্নাত ও শাফিনা আক্তারের পরিবারকে।পুলিশ প্রায় প্রতিদিন তাদের গ্রামে বাড়িতে হানা দিচ্ছে যদিও সেখানে এখন কেউ থাকেনা কারণ মাহিন ও তার পরিবার আত্মগোপনে আছে।
তাছাড়া শাফিনা ও ফারেহার বিরুদ্ধে দেয় কি তো একাধিক মিথ্যা মামলা ওকে ইফতারি পরোয়ানা থাকার কারণে তাদের অবস্থান সরবক্ষণ নজরদারির মধ্যে ছিল আত্মগোপনের পর চাচাতো ভাই মাহীন আহমেদের সহায়তায় গোপনে দেশ ত্যাগ করেন ফারেহা।
সন্ত্রাসী হামলা ও কোটি টাকার ক্ষতি : তথ্যসূত্রে জানা যায়, সাফিনা ও ফারেহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর সন্ত্রাসীরা বারবার আক্রমণ করে এবং তাদের প্রায় লক্ষ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়।